মঙ্গলবার, ০৭ Jul ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
অতিমারির প্রকোপে সিনেমা হলের ব্যবসা অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত। নিউ নর্মাল জীবনধারায় ধীরে ধীরে ফিরছে ছন্দ। কিন্তু প্রেক্ষাগৃহে এখনও ৫০ শতাংশ আসনেই ছবি দেখানোর নিয়ম বহাল। যার ফলে কাঙ্ক্ষিত ব্যবসার কাছাকাছিও পৌঁছতে পারছে না সিঙ্গল স্ক্রিনগুলি। গত বছর ইদেই মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল সলমন খান অভিনীত ছবি ‘রাধে’র। তবে করোনার কারণে তা বাতিল হয়। এই বছর ইদে সলমন যাতে ছবিটি হলেই রিলিজ় করেন, তার জন্য দেশের বিভিন্ন রাজ্যের এগজ়িবিটরসরা একযোগে তাঁকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে গুজরাত, বিহার, ছত্তীসগঢ়, তেলঙ্গানা, তামিলানাড়ুর মতো রাজ্যও রয়েছে। আসলে হিন্দির ক্ষেত্রে ওটিটির আধিপত্য এখন এতটাই শক্তিশালী যে, অনেক প্রযোজকই সিনেমা হলে ছবি দিতে চাইছেন না। ইন্ডাস্ট্রির ভাইজান অবশ্য বরাবরই বক্স অফিসের বড় অঙ্ককে গুরুত্ব দেন। তাই ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে তিনি কথা রাখবেন বলেই আশা করা হচ্ছে।
বাংলা ছবির ক্ষেত্রে অবশ্য ওটিটির দাপট নেই। কিন্তু এখানেও বড় প্রযোজনা সংস্থাগুলি ছোট মাপের ছবিতেই আপাতত ভরসা রাখছে। বড় বাজেটের ছবি রিলিজ় করে ঝুঁকি নিতে চাইছে না। এসভিএফ প্রযোজনার তরফে জানানো হচ্ছে, ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়া ‘চিনি’ ছবিটিতে ভালই সাড়া মিলেছে। ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের ‘প্রেম টেম’ মুক্তি পাবে সিনেমা হলে। এর পরে পরিস্থিতির বিচারে গরমের ছুটিতে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন’ রিলিজ়ের কথা ভাবতে পারে প্রযোজনা সংস্থা।